অত্র এলাকায় তদানীন্তন সময়ে কোন ইসলামীক বা ধর্মীয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ছিল না। অত্র এলাকাটি একটী মুসলিম অধ্যুষিত এলাকা। ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের অনুভূতির আলোকে ইসলামী শিক্ষার প্রসার ঘটানোর জন্য ১৯৮৫ সনেয়ালিয়া মাদ্রাসা খোলার জন্য এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ সিদ্ধান্তগ্রহণ করেন। এরি আলোকে এলাকার ধর্মপ্রাণ মুসলমান এবং গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের আন্তরিক চেষ্টা ও সহায়তায় বাজারের পার্শে ১৯৮৫ সনে একটি এবতেদায়ী মাদ্রাসা স্থাপন করা হয়। পরবর্তীতে অত্র মাদ্রাসাটি ১৯৮৫ ইং সনে বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড কর্তৃক দাখিল স্তর স্বীকৃতি প্রাপ্ত হয়।পরবর্তীতে পর্যায়ক্রমে মাদ্রাসাটিতে বিজ্ঞান বিভাগ,কম্পিউটার শিক্ষাসহ আধুনিক শিক্ষা ব্যবস্থায় প্রিচালিত হইতেছে।
মাদ্রাসাটি ৬৫ শতক জমির উপর প্রতিষ্ঠিত। ২ টি দু’’তলা পাকা ইমারত ও ১ টি একতলা ইমারতে ১৪টি কক্ষ আছে। ১১টি শ্রেণিকক্ষ, ১ টি অফিস কক্ষ, ১টি গ্রন্থাগার, ১টি বিজ্ঞানাগার, ১ টি নামাজ কক্ষ আছে। তাছাড়া, ২টি নলকূপ ও ৯টি ল্যাট্রিন রয়েছে। অত্র এলাকায় যখন জনসাধারণ শিক্ষার আলো থেকে বঞ্চিত ছিল সে মুহুর্তে জ্ঞানের আলো জনসাধারণের মাঝে বিস্তরনের জন্য এলাকার কতিপয় শিক্ষানুরাগী এবং অত্র এলাকার জনগনের স্বতঃস্ফূর্ত সহযোগীতার মাধ্যমে এলাকার বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গের প্রচেষ্টায় মাদ্রাসাটি ইবতেদায়ি মাদ্রাসা থেকে দাখিল স্তরে উত্তীর্ন করার পদক্ষেপ গ্রহন করা হয়। বর্তমানে মাদ্রাসাটিতে বহুমুখী শিক্ষা দেওয়ার সু-ব্যবস্থা রয়েছে। ইবতেদায়ি প্রথম শ্রেণি থেকে দাখিল ১০ম শ্রেণি পর্যন্ত চালু আছে। নবম/দশম শ্রেণিতে বিজ্ঞান ও সাধারণ শাখা চালু রয়েছে। বর্তমানে মাদ্রাসাটিতে Computer Lab আছে। ICT Computer শিক্ষা ছাত্র/ছাত্রীদের মধ্যে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। প্রতি বছর J.D.C ও Dakhil পরীক্ষায় শিক্ষার্থীরা ভাল ফলাফল লাভ করে বৃত্তি পাইয়া থাকে। বর্তমান সুপার সাহেবের সুযোগ্য নেতৃত্তে মাদ্রাসাটির শিক্ষার্থীর সংখ্যা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং পাবলিক পরীক্ষাগুলোতে আশানুরুপ ফল করে আসছে।বর্তমানে মাদ্রাসাটি সখিপুর উপজেলার মধ্যে একটি আদর্শ মাদ্রাসা হিসাবে পরিচিত।